We believe our independence is our great achievement and our freedom fighter is great son for our land . We are generation who have responsibility to make  delighted and improvement our country.
Work for Future Bangladesh
LIGHTER YOUTH FOUNDATION
 
 
 

আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

 মডেল_ভিলেজ (প্রস্তাবিত)

মডেল ভিলেজ লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশনের একটি ড্রিম প্রজেক্ট। লাইটার যাত্রার প্রাক্কাল থেকেই আমাদের মাথায় একটা জিনিস ঘুরতো। একটা স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন হিসেবে আমাদের লক্ষ্য কি? আমাদের সামর্থ্য কতখানি? তখনই আমরা ভেবেছিলাম- এত এত সংগঠন। আমরা একেকটি সংগঠন যদি একেকটি গ্রামকে মডেল ভিলেজ হিসেবে রূপান্তরিত করতে পারি। তাহলেই তো অসাধারণ হয়! যারা একেবারেই গরীব, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্ব নিতে পারলেই তো দারিদ্র্যের হার নেমে আসবে শূন্যের কোঠায়!

“মডেল ভিলেজ- দ্যা ড্রিম প্রজেক্ট” এ যাবতকালে লাইটারের ইতিহাসে নেওয়া সবচেয়ে বড় ইনিশিয়েটিভ। মডেল ভিলেজ প্রজেক্টে আমরা কাজ করব একটি নির্দিষ্ট গ্রামকে কেন্দ্র করে। যেখানে আমাদের সব ধরনের ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, সেখানকার শিক্ষা ব্যবস্থা, স্যানিটারি ইস্যু, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, দারিদ্রতা বিমোচনের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি আমাদের যেসব ট্রেডমার্ক ইভেন্ট- ‘মিশন স্বাবলম্বীকরণ’, ‘মিশন ২১’, ‘মিশন ১৯৭১’ । এসবও করতে চাই আমরা আমাদের গ্রামকে কেন্দ্র করে। আমরা লাইটাররা চাই এমন একটা গ্রাম, যেখানে শিক্ষার আলো থাকবে, পায়ের নিচে একটা শক্ত মাটিতে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে বানভাসি মানুষগুলা, স্বাবলম্বী হবে, স্কুল থাকবে, সেখানে লাইব্রেরী থাকবে, একুশে ফেব্রুয়ারিতে প্রভাত ফেরিতে যাবে শিশুরা। আর এভাবেই স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনায় একদিন সফল হবে আমাদের ড্রিম প্রজেক্ট- “মডেল ভিলেজ”।এরই মধ্যে মিশন মডেল ভিলেজের গ্রান্ডওয়ার্ক হিসেবে আমরা সম্পন্ন করেছি #মিশন_নীলপামারী

 মিশন ১৯৭১

মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, জাতি হিসেবে আজ আমাদের এই মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার টিকেটটা কেনা তাঁদের আত্মত্যাগেই, যার দাম তারা দিয়েছিলেন নিজেদের রক্তে। কোন প্রাপ্তির আশা না করে শুধুমাত্র অনাগত প্রজন্ম যেন পরাধীনতার শৃঙ্খল ছেড়ে স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে মাথা উচিয়ে বেঁচে থাকতে পারে মানুষের মর্যাদা নিয়ে, তার জন্যে যুদ্ধ করেছিলেন বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। সবচেয়ে উচ্চস্থানে ঠাঁই হবে, সবচেয়ে সম্মানের আসনটি বরাদ্দ থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে। এমনটিইতো হওয়ার ছিল। কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন, স্বাধীনতা বিরোধীকারীরা রাজাকারেরা যখন ক্ষমতার শীর্ষে, তখন অনাহারে, অর্ধাহারে, অসুখে ধুঁকে মরছিলো জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা। যারা আমাদের জন্যে নিশ্চিত করেছিলেন একটি স্বাধীন সার্বভৌম ভূমি, তাদের জন্যে আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের। যারা আমাদের কে এই দেশে সম্পদশালী ও বিত্তশালী হওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছিল তাঁদের পরিবারকে আমরা নিশ্চিত করতে পারিনি থাকার জায়গা। আমাদের কর্তব্য থেকে যতটুকু করার কথা ছিলো তার বহুলাংশ করতেই আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আর এই তাগিদেই লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন এর তারুণ্যদীপ্ত মেম্বাররা নিজেদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁদের কিছু ছোট্ট স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয়।

তাঁদের স্বপ্ন গুলো খুব বড় কিছু ছিলো না। মৃত্যুর আগে বাকী দিনগুলো একটু নিশ্চিন্তে থাকতে পারে এটাই ছিলো তাদের চাওয়া। সেটা থেকেই ভাবনা মিশন ৭১ এর। মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ১৫ জন মুক্তিযোদ্ধাকে দু-দফায় স্থায়ীভাবে সাহায্য করেছে লাইটার ইয়ুথ ফাউন্ডেশন।

 লাইটার স্বাবলম্বীকরণ প্রজেক্ট

একটা মানুষ কে একবেলা খাবার খাইয়ে সাহায্য করার চাইতে সে যাতে তার খাবার নিজে জোগাড় করে নিতে পারে সে ব্যাপারে সাহায্য করা তার জন্য বেশি উপকারি। সে লক্ষ্যেই প্রজেক্ট স্বাবলম্বীকরন নামে আমাদের সীমিত সামর্থের মধ্যে চেষ্টা করি কিছু মানুষকে স্বাবলম্বী করার। যেমনঃ যিনি টেইলারিং কাজ করতে জানেন কিন্তু সেলাই মেশিন কেনার সামর্থ্য নাই তাকে সেলাই মেশিন কিনে দেয়া, রিক্সা বা ভ্যান কিনে দেয়া বা একটা ছোট মুদি দোকান করে দেয়া। এতে করে ঐ ব্যাক্তিটি নিজের পরিশ্রমে নিজের অবস্থার উন্নতি করতে পারেন। প্রজেক্ট স্বাবলম্বীকরনের মূল উদ্দ্যেশ্যই একজন ব্যাক্তিকে তার পক্ষে সম্ভব এরকম কাজের ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়ে নিজ পরিশ্রমে নিজেকে স্বাবলম্বী করে নিজের অবস্থান পরিবর্তনে সাহায্য করা। স্থায়ীভাবে অবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে এখন পর্যন্ত আমরা প্রজেক্ট স্বাবলম্বীকরন এর অধীনে ৫ জন কে সাহায্য করেছি।

মিশন ২১

২১ মানে ভাষা, রক্তের দামে কেনা আমাদের প্রাণের ভাষা, মায়ের মুখের ভাষা – বাংলা। ফেব্রুয়ারি মাস এলেই আমরা পুরোদস্তুর বাঙালি হয়ে যাই, সাদাকালো শাড়ি-পাঞ্জাবি, সারাদিন ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গান। তারপর মাস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের তর্ক-বিতর্ক, সাজ-পোশাকের সঙ্গে গানের ভোলটাও পাল্টে যায়। আমরা লাইটাররা চাইলাম এমন কিছু করতে যা বছরজুরে একুশের চেতনাকে ধরে রাখবে। একুশকে মনে করিয়ে দেবে প্রতিদিন।

স্বীদ্ধান্ত নিলাম এমন কোনো স্কুলে শহীদ মিনার বানাবো যেখানে আশেপাশে নিকটবর্তী স্থানে কোনো শহীদ মিনার নেই যে স্কুলের বাচ্চারা প্রভাত ফেরীতে যাওয়ার সুযোগ পায় না। এতে করে বাচ্চাদের সামনে প্রতিনিয়ত যেমন থাকবে একটি শহীদ মিনার, ঠিক তেমনি তাদের মনে প্রতিনিয়ত থাকবে ‘একুশ’।

Contact Us

We're not around right now. But you can send us an email and we'll get back to you, asap.

Not readable? Change text.
0

Start typing and press Enter to search