Event Will Start
  • 00 days
  • 00 hours
  • 00 minutes
  • 00 seconds

MISSION 1971

Event Will Start
  • 00 days
  • 00 hours
  • 00 minutes
  • 00 seconds

MISSION-21

আমাদের সফল ইভেন্টসমূহ

মিশন নীলফামারী (প্রস্তাবিত মিশন মডেল ভিলেজের প্রাথমিক পদক্ষেপ)

মিশন নীলফামারী (প্রস্তাবিত মিশন মডেল ভিলেজের প্রাথমিক পদক্ষেপ)

২০১৬ সাল, প্রস্তাবিত মিশন মডেল ভিলেজের গ্রাউন্ডওয়ার্কের জন্য তিস্তার পাড়ের নীলফামারীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নেয় লাইটার ইয়ূথ ফাউন্ডেশন। সার্ভে করে ৪০ টি পরিবারকে এই সাহায্য দেওয়া হয়। প্রাইমারি একটি তালিকা করে আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছি, তাঁদের কি ধরণের সহযোগিতা প্রয়োজন, সেসব জানতে চেয়েছি এবং শেষ পর্যন্ত তাদের চাহিদা অনুযায়ী পশ্চিমগোলমুণ্ডা, চৈতনের ঘাট এবং বানপাড়ার ৩৭টি পরিবারকে দেই গরু, ২টি পরিবারকে মুদি দোকান এবং ১টি পরিবারকে ক্ষুদ্র কুটির ব্যবসার জন্য মূলধন। সাহায্য করার উদ্দেশ্যটা সুদূরপ্রসারী, আগামী বছরের বন্যায় যেন তাঁদের আর কারো সাহায্যের আশায় বসে থাকতে না হয়, সেটিই নিশ্চিত করতে চেয়েছি আমরা। এই গ্রাউন্ডওয়ার্ক এর নাম ছিল #মিশন_নীলফামারী।

এসব সাহায্যেই যে তাদের জন্য পর্যাপ্ত তা কিন্তু নয়। এরকম হতদরিদ্র মানুষদের জীবনে ঘুরে দাঁড়াবার জন্য একটু সাহসের প্রয়োজন, প্রয়োজন একটুখানি অনুপ্রেরণা।

মুক্তিযোদ্ধা নিমাই রায়-মিশন ১৯৭১ (২০১৪)

মুক্তিযোদ্ধা নিমাই রায়-মিশন ১৯৭১ (২০১৪)

পেশায় চা শ্রমিক মুক্তিযুদ্ধা নিমাই রায়! ১৯৭১ সালে ষোল বছর বয়সে দেশের ডাকে সাড়া দিতে চলে গিয়েছিলেন যুদ্ধে। যুদ্ধ করেছিলেন চার নং সেক্টরের কাশিনগর, লোহাউনি বাগান ও শমশেরনগরে। বয়স এখন ষাট। অনেক স্মৃতিই ভুলে গেছেন। অথবা ভুলেন নি! আদতে কথা বলতেই ইচ্ছুক নন এই মানুষটা। তেতাল্লিশ বছর কেটেছে অনাদরে-অবহেলায়, শুনেছেন অসংখ্য আশ্বাসবাণী। কিন্তু সেগুলো শুধু ফাঁকা বুলিই থেকে গেছে! তাই রাগে-ক্ষোভে যুদ্ধের সময়ের কথাই স্মৃতিচারণ করতে চান না। তাঁর একটাই কথা, 'চা শ্রমিক ছিলাম। যুদ্ধের ডাক এসেছে, তাই দেশ স্বাধীন করতে যুদ্ধে গেছি। দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পর আবার চা বাগানে কাজে যোগ দিয়েছি।' সাদাসিধে মানুষটার মনে কতটা কষ্টের বোবা আর্তনাদ, কতটা বিতৃষ্ণা তাঁর এই জীবনের প্রতি!
মুক্তিযুদ্ধা নিমাই রায়কে তাঁর উপার্জনের জন্য লাইটার ইয়ূথ ফাইন্ডেশন একটি মুদি দোকান করে দিয়েছে ।

মুক্তিযোদ্ধা শ্রী হরেন্দ্র দাস- মিশন ১৯৭১(২০১৪)

মুক্তিযোদ্ধা শ্রী হরেন্দ্র দাস- মিশন ১৯৭১(২০১৪)

১৯৭১ সাল, ১৯ বছরের হরেন্দ্র তখন যুদ্ধে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল। ভারতের লোহারবনে ট্রেনিং নিয়ে প্রথমে কুকিরতলে, তারপর জুরিতে যুদ্ধ করেন। ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে ঝটিকা হামলা চালিয়ে আবার ট্রেনিং ক্যাম্পে ফিরে যেতেন। এরকম কতবার যে গুপ্ত হামলা চালিয়েছেন, তার ইয়ত্তা নেই। দেশের ইজ্জত রক্ষার্থে যদি মারা যেতেন তাতেও তাঁর কোন আফসোস ছিলো না। তাঁর খারাপ লাগে শুধু একটি কারণে, স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরেও কোন মুল্যায়ন পাননি। নিজে এখনো ঠেলা চালান, কারো বাড়ীতে গিয়ে কাজ করেন। এভাবেই চালাচ্ছেন নিজের পরিবার। সদা হাসি লেগে থাকে তাঁর মুখে। তাঁর সঙ্গে কথা না বলে শুধু দেখে ঠাউর করা কঠিন, কত না কষ্ট তাঁর বুকে জমাট বাধা! একটাই চাওয়া, তাঁকে একটি ঘর করে দেওয়া হোক। এখনো হাত-পা আছে, কিছু না কিছু করে খেতে পারবেন। কিন্তু আমৃত্যু চেষ্টা করলেও একটা টিনের বাড়ি যে করা হবে না তাঁর!
এই মুক্তিযুদ্ধার স্বপ্ন পূরনের জন্য লাইটার ইয়ূথ ফাইন্ডেশন একটি টিনশেড ঘর করে দিয়েছে।

Contact Us

We're not around right now. But you can send us an email and we'll get back to you, asap.

0

Start typing and press Enter to search